ঢাকা শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯



ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে নতুন গাড়ি পেলেন বিজিবি সদস্য বাচ্চু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রেতাদের জন্য রয়েছে নতুন গাড়ি পাওয়ার সুযোগ। প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-ফোর এর আওতায় এ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে এ সিজনের প্রথম নতুন গাড়িটি পেয়েছেন কিশোরগঞ্জের আব্দুল মমিন বাচ্চু। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)তে কর্মরত বাচ্চুর পরিবারে এখন আনন্দের বন্যা।
ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিক্রয়োত্তর সেবা অনলাইনের আওতায় আনতে দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর আওতায় যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা বা পরিবেশক শোরুম কিংবা ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনে রেজিস্ট্রেশন করলে ক্রেতারা পেতে পারেন নতুন গাড়ি, ফ্রি পণ্য অথবা লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে, ২০১৯) কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আব্দুল মমিন বাচ্চুর কাছে নতুন গাড়িটি হস্তান্তর করা হয়। তার হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহদী হাসান, ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীর এবং মোহাম্মদ রায়হান।

ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে নতুন গাড়ি পেয়েছেন কিশোরগঞ্জের আব্দুল মমিন বাচ্চু। তার হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেয়া হচ্ছে।

আব্দুল মমিন বাচ্চু জানান, তার বাড়ি নিকলি উপজেলার কর্শা গ্রামে। ফেনীর বিজিবি-৪ ব্যাটালিয়নে পোস্টিং। অনেকদিন ধরে ওয়ালটন ফ্রিজ ব্যবহার করছেন। ৯ সদস্যের পরিবারে নতুন আরেকটি ফ্রিজ প্রয়োজন হয়। ছুটিতে বাড়ি এলে গত ১১ মে শহরের ওয়ালটন প্লাজা থেকে মাত্র ২৩ হাজার ৮০০ টাকায় ১১ সিএফটির একটি ফ্রিজ কেনেন। এরপর ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে রেজিস্ট্রেশন করলে নতুন গাড়ি পাওয়ার মেসেজ যায় তার মোবাইলে।

বাচ্চু বলেন, নতুন গাড়ি পেয়ে আমাদের ঈদের আনন্দ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ছেলে-মেয়ের খুশির যেন শেষ নাই। ওয়ালটন থেকে পাওয়া এই গাড়িটা আমাদের জন্য অমূল্য উপহার। ওয়ালটন কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ক্রেতাদের জন্য এমন সুযোগ রাখায় ওয়ালটন গ্রুপকে ধন্যবাদ। এরফলে অনেক পরিবারেরই নিজেদের গাড়িতে চড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে। আজকের অনুষ্ঠান প্রমাণ করলো ওয়ালটন ক্রেতাদের কথা দিয়ে কথা রাখে।

ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক হুমায়ূন কবীর বলেন, আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পণ্য বিক্রি করছি। এতে ক্রেতা ও পণ্যটির সংশ্লিষ্ট তথ্য সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও সহজেই বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়া যাচ্ছে। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতেই নতুন গাড়িসহ ফ্রি পণ্য ও নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচারের সুযোগ দেয়া হয়েছে।

ওয়ালটনের প্লাজা সেলস ডেভেলপমেন্টের প্রধান মোহাম্মদ রায়হান জানান, এ বছর দেশের বাজারে শতাধিক মডেলের ফ্রস্ট, নন-ফ্রস্ট, ডিপ ফ্রিজ ও বেভারেজ কুলার বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। চলতি বছরের প্রথম ৪ মাসে ফ্রিজ বিক্রিতে ৯৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। তার মতে এর পেছনে রয়েছে ওয়ালটন ফ্রিজের উচ্চমান, সাশ্রয়ী দাম, কিস্তির সুযোগ, দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা এবং দেশব্যাপী চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন।

উল্লেখ্য, ক্যাম্পেইনের আগের তিন সিজনে নতুন গাড়ি, আমেরিকা ও রাশিয়া ভ্রমণের ফ্রি বিমান টিকিট ছাড়াও ক্রেতারা কোটি কোটি টাকার ক্যাশ ভাউচার, মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ বিভিন্ন ওয়ালটন পণ্য পেয়েছেন।


আর্কাইভ