ঢাকা বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯



দেশে পরিবেশবান্ধব পোশাক কারখানা ৯০টি

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতে ৯০টি ‘লীডারশীপ ইন এনার্জী অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (এলইইডি)’ সনদপ্রাপ্ত পরিবেশবান্ধব কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি কারখানা এলইইডি প্লাটিনাম ক্যাটাগরির বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার সভাপতি ওসামা তাসীর। গতকাল সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘টেকসই পরিবেশ ও স্বীকৃতি সনদ’বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক সংলাপে এ তথ্য জানান তিনি। চেম্বার সভাপতি জানান, সারা বিশ্বে আবাসিক খাতে বিদ্যুতের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার হয়। এর বিপরীতে আমাদের দেশে এর পরিমাণ প্রায় ৪০ শতাংশ। এমন বাস্তবতায় ‘গ্রিন বিল্ডিং’ নির্মাণের বিষয়টি পৃথিবীজুড়ে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে।

বাংলাদেশের শিল্প খাতে ‘গ্রিন বিল্ডিং, প্রযুক্তি ও পণ্য’ ব্যবহার বাড়াতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় বাড়ানো, গ্রিন প্রযুক্তি ও পণ্যে স্বল্পহারে শুল্কারোপ ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদানের জন্য আহ্বান জানান তিনি। সংলাপে বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। শ্রীলঙ্কার এনার্জি সলভ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ মাহেন্দ্রা জয়ালাথ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ছবি: ডেইলি স্টার

ওসামা তাসীর বলেন, দেশের অর্থনীতি বেগবান করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতের বিষয়টি ডিসিসিআই সবসময়ই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নে সবসময়ই পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি আমাদের ভবন নির্মাণ খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মূল প্রবন্ধে মাহেন্দ্রা জয়ালাথ বলেন, টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের গ্রিন (পরিবেশবান্ধব) ভবন নির্মাণের মনোযোগী হতে হবে। বিশেষত শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব ভবন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহায়তা করবে। পানিসম্পদ রক্ষা, অর্থনৈতিক মুনাফা নিশ্চিত, ব্যবসা পরিচালন ব্যয় হ্রাস, স্থাপনার দীর্ঘস্থায়িত্ব, অধিক উৎপাদন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা অর্জনে টেকসই পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

সংলাপে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক আশরাফ আহমেদ, দ্বীন মোহাম্মদ, এনামুল হক পাটোয়ারী, হোসেন এ সিকদার, খন্দকার রাশেদুল আহসান, কে এম এন মঞ্জুরুল হক, মো. আল-আমিন, মো. রাশেদুল করিম মুন্না, মোহাম্মদ বাশীর উদ্দিন, শামস মাহমুদ, এস এম জিল্লুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আর্কাইভ